Image

বহুতল ভবন থেকে লাফ দিয়েও শেষ রক্ষা হলোনা আসামির

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি : বহুতল ভবন থেকে লাফ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা হলোনা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-

-জনতার আন্দোলন চলাকালে বিএনপি অফিস ভাংচুরসহ নাশকতা মামলার আসামি ইমরান তৌহিদীর (৪০)। 

 

শনিবার (৮ নভেম্বর) গভীর রাতে সৈয়দপুর থানা পুলিশের অভিযানে শহরের বাঁশবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেফতার হয় সে। ইমরান তৌহিদী ওই এলাকার বাসিন্দা বিশিষ্ট গুল ব্যবসায়ী নওশাদ তৌহিদীর ছেলে। সে গত ২০২৪ সালে ৩১ আগস্ট সৈয়দপুর থানায় দায়ের হওয়া ২০ নং মামলার ৫৭ নং আসামি। ওই মামলার পর থেকে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে ছিল সে। তিনতলা থেকে লাফিয়ে আহত হওয়ায় বর্তমানে পুলিশী হেফাজতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সে। 

জানা যায়, সৈয়দপুর বিএনপি অফিস ভাঙ্চুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গত বছর ৩১ আগস্ট 

সৈয়দপুর থানায় বিএনপি কার্যালয় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগসহ নাশকতার একটি মামলা হয়। সৈয়দপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ বাবলু বাদি হয়ে ওই মামলাটি করেন। মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হয়েও দীর্ঘদিন থেকে পলাতক ছিল। শনিবার রাতে গোপন সংবাদে পুলিশ জানতে পারে সে তার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছে। এমন সংবাদে সৈয়দপুর থানার এস আই মো. আমিনুল ইসলাম ও মনিরুজ্জামানসহ সঙ্গীয় ফোর্স রাত দেড়টায় তার বাড়ির আশেপাশে অবস্থান নেয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে তার বাসভবনের তিনতলা থেকে লাফিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এতে সে কোমরে মারাত্মক আঘাত পায় হয়। পরে পুলিশ আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে সে পুলিশি হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল ওয়াদুদ আসামি ইমরান তৌহিদীকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেন।