Image

নওয়াবেঁকী হাট বাজারে মুকুলের দোকান নির্মাণে বাধা, অভিযোগের পাহাড়!

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: শ্যামনগরের নওয়াবেঁকী হাট বাজারে অবৈধভাবে মুকুল নামীয় ব্যক্তি দোকান নির্মান অব্যহত রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আসাদুল্লাহ  আল গালিব ওরফে মুকুল নওয়াবেঁকী বাজারে কাপড় পট্টি সংলগ্ন জায়গায় সম্পূর্ণ অবৈধ  ভাবে প্রভাব খাটিয়ে দোকান ঘর তৈরির পায়তারা করতে থাকলে ভুক্তভোগী শাওন হোসেন অভিযোগ করেন। তার বিরুদ্ধে ভূমি অফিসে অভিযোগ করলে নায়েব সরাসরি সার্ভেয়ারের মাধ্যমে মাপ জরিপ করে তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে বলেন নায়েব মোশারাফ হোসেন। এটা কে অবজ্ঞা করে ইচ্ছামত রাতারাতি পাকা দোকান তৈরি করতে শুরু করলে প্রশাসনের বাধায় পড়েন।

ম্যাপে অন্তর্ভুক্ত থাকা মুকুলের জমির দাগ নং ৫১৭৫এবং তার কাগজ হওয়া সত্বেও সে ঐ দাগে দোকান করতে  না পারায় ৫১৫৮ দাগে প্রভাব খাটিয়ে অন্যায় ভাবে দখল করার অভিযোগ উঠে। যেটা সম্পূর্ণ রুপে অবৈধ। 

পেরিফেরি ভুক্ত জায়গা নিয়মের ভিতরে থেকে বন্দোবস্ত দেওয়ার কথা থাকলেও প্রভাব খাটিয়ে মোঃআসাদুল্লাহ আল গালিব ওরফে মুকুল নওয়াবেকী হাট বাজারের জায়গা দখল করে রাতদিন বিরামহীন ভাবে করছেন। অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী বিভিন্ন মহলের সহায়তায় অবৈধ ভাবে  ইচ্ছামত আর সি সি প্লিলারসহ ভবন, নানা ধরনের স্থাপনা গড়া হচ্ছে রাতারাতি এ ঘটনা ঘটে। পেরিফেরিভুক্ত জায়গায়তে স্থাপনা নির্মানে অবশ্য পালনীয় কিছু শর্ত থাকা সত্ত্বে বরাদ্দ গ্রহন বা স্থাপনা নির্মানের ক্ষেত্রে তা ন্যুনতম অনুসরন করা হচ্ছে না।

শুরু থেকে দীর্ঘদিন স্থানীয়রা ভূমি অফিস ইজারা বা বন্দোবস্ত শর্ত মেনে স্থাপনা নির্মানসহ ব্যবসায়ীক কার্যক্রম চালু রাখার দিকে নজর রাখলেও গত ৫ আগস্টের পর থেকে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হওয়ার পর থেকে  নওয়াবেঁকী বাজারের পেরিফেরিভুক্ত জায়গা নিয়ে রীতিমত হুলুস্থুল কান্ড ঘটে যাচ্ছে। লক্ষ লক্ষ  টাকার বানিজ্যে জড়িয়ে প্রভাবশালী আসাদুল্লাহ আল গালিব ওরফে মুকুলের দিকে তীরের অভিযোগ উঠেছে। মোঃ আসাদুল্লাহ আল গালিব  মুকুল জানান, তিনি নীতিমালা অনুসারে দোকান বরাদ্দ নিয়ে কাজ করছেন। এ বিষয় সঠিক তদন্তের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।