Image

সৈয়দপুরে ডিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার : নারীসহ গ্রেফতার-৩

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি : নীলফামারীর সৈয়দপুরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের  অভিযানে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা প্লাস্টিকের টুলের পায়া থেকে ১ হাজার ২৫ পিস ইয়াবা ও ৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় নারীসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে তারা। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাত ১১ টায় সৈয়দপুর পৌর এলাকার মিস্ত্রিপাড়া মন্দির রোডের একটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করে ওইসব ইয়াবা ট্যাবলেট ও হেরোইন উদ্ধার করা হয়।  

অভিযানে গ্রেফতারকৃতরা হলো মোহাম্মদ হোসেনের পুত্র কথিত কাপড় ব্যবসায়ী মাদক ডিলার খুরশিদ হোসেন (৩০), বেচাকেনায় সহায়তাকারী স্ত্রী মোছা. জিমি আক্তার (২৮) ও তাঁর শ্যালক মাহাতাব ওরফে টেনি (২৬)।

নীলফামারী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. মতলুবর রহমানের নেতৃত্বে ওই বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় বাড়ির ছাদে থাকা একটি প্লাস্টিকের টুলের পায়ায়  বিশেষ কায়দায় রাখা ১ হাজার ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ওই বাসার একটি ঘর থেকে ৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এ সময় উল্লিখিত ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। আটক খুরশিদকে এর আগেও ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিল উল্লেখ করে নীলফামারীর ডিবি পুলিশ জানায়, গ্রেফতার হওয়া খুরশিদ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। সে কাপড় ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন থেকে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। তার পরিবারের সদস্যরা এ কাজে সহায়তা করে আসছিল। 

এ ব্যাপারে গতকাল রবিবার (১১ জানুয়ারি) তাদের বিরুদ্ধে সৈয়দপুর থানায় মামলা হয়েছে। এদের মধ্যে খুরশিদ ও মাহাতাব ওরফে টেনিকে ইয়াবা সংরক্ষণ ও বেচাকেনা এবং খুরশিদের স্ত্রী মোছা. জিমি আকতারকে হেরোইন সংরক্ষণ ও বেচাকেনার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে নীলফামারী কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

জানতে চাইলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো.  মতলুবর রহমান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি উপস্থিত লোকজনদের উদ্দেশ্যে বলেন, যেখানে মাদকের বিষয়টি আঁচ করতে পারবেন, আপনারা আমাদের জানাবেন। আমরা তড়িৎ ব্যবস্থা নিব। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

এদিকে শনিবার রাতে ডিবি পুলিশের অভিযানে মিস্ত্রিপাড়া এলাকা থেকে নারীসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার এবং বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন এলাকাবাসী৷ তারা এমন কর্মকাণ্ডের জন্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে প্রশংসিত করেছেন।