Image

শ্যামনগরের লক্ষ্মীখালী ও বুড়িগোয়ালিনী এলাকায় জামায়াতের নির্বাচনী জনসভা

এস, এম, মোস্তফা কামাল: সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম এর পক্ষে শ্যামনগর উপজেলার দুটি পৃথক স্থানে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৫ জানুয়ারি (রবিবার) বিকেল ৩টায় প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হয় গাবুরার লক্ষ্মীখালী দাখিল মাদ্রাসা মাঠে। গাবুরা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা দিদারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাজী নজরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমান, জেলা জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল মজিদ, চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম, আব্দুর রশিদ, মাওলানা মাহবুবুর রহমানসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, উপকূলীয় জনপদের মানুষের প্রধান সংকট এখন নিরাপত্তা ও টেকসই অবকাঠামো। তিনি বলেন, টেকসই ও স্থায়ী ভেড়িবাঁধ নির্মাণ ও সংস্কার ছাড়া উপকূলের মানুষের জীবন নিরাপদ করা সম্ভব নয়। তিনি জলদস্যু ও বনদস্যু দমনে কার্যকর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, সুন্দরবন ও উপকূলের মানুষকে নিরাপদ না করলে কোনো উন্নয়নই টেকসই হবে না।গাজী নজরুল ইসলাম তার বক্তব্যে গ্রামীণ অবহেলিত জনপদের রাস্তাঘাট, হাটবাজার ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নের অঙ্গীকার করেন। তিনি আরো বলেন, সুন্দরবনকে বিশ্ব দরবারে একটি পরিবেশবান্ধব পর্যটন শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে চিংড়ি, কাঁকড়া ও উপকূলীয় অন্যান্য শিল্পের আধুনিকায়ন ও রপ্তানিমুখী উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দেন। এরপর মাগরিবের পর বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ জনসভায়ও বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা হয়। দ্বিতীয় জনসভায় বক্তারা বলেন, উপকূলীয় শ্যামনগরের উন্নয়নের জন্য আবেগ নয়, প্রয়োজন পরিকল্পিত ও বাস্তবভিত্তিক কর্মসূচি। তারা বলেন, গাজী নজরুল ইসলামের পূর্ব অভিজ্ঞতা ও উপকূলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এ অঞ্চলের মানুষের আস্থার জায়গা তৈরি করেছে।

 দুইটি জনসভায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।