Image

নীলফামারী-৪ আসনে ৯ জনের মনোনয়ন দাখিল: আ' লীগ ও জাপার একাধিক প্রার্থী

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি : গোটা উপজেলা পরিষদ চত্বরে ছিল সাজসাজ রব। উৎসবের আমেজে মিছিল শোভাযাত্রা নিয়ে প্রার্থীরা তাদের কর্মী সমর্থকদের নিয়ে আসতে থাকেন উপজেলা পরিষদ চত্বরে। সকালের দিকে ফাঁকা থাকলেও দুপরের পর লোকে লোকারণ্য হয়ে যায় গোটা পরিষদ এলাকা। এসময় শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া উপলক্ষে পুলিশসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত তৎপরতাও ছিল লক্ষণীয়।  

পরে শান্তিপূর্ণভাবে নীলফামারী-৪ আসনের (সৈয়দপুর -কিশোরগঞ্জ) জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল রায়হানের হাতে মনোনয়নপত্র জমা দেন তারা। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) ছিল জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এদিন ৯ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন। এদের মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীসহ ৩ জন, জাতীয় পার্টির মনোনিত প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্যসহ ২ জন ছাড়াও  তৃণমূল বিএনপি,ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ- ভাসানী), জাসদ (ইনু) ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম)'র ১ জন করে প্রার্থী রয়েছেন।
তবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে আসায় শাহ শরীফ স্বপন নামের একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। 
যারা আগামি ৭ জানুয়ারী সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তারা হলেন- আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী কিশোরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন বাবুল,সৈয়দপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন ( আওয়ামী লীগ- স্বতন্ত্র) ও উপজেলা আওয়ামী লীগের
সিনিয়র নেতা সৈয়দপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাখাওয়াত হোসেন খোকন, জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী সংসদ সদস্য আহসান আদেলুর রহমান আদেল ও নীলফামারী জেলা জাতীয় পার্টির সহ সভাপতি এবং সৈয়দপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আলহাজ্ব সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক (জাপা- স্বতন্ত্র), জাসদের ( ইনু) আজিজুল হক, তৃণমূল বিএনপির ড. আব্দুল্লাহ আল নাসের, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ- ভাসানী)  বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই সরকার ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের (বিএনএম) সাজেদুল করিম।
প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল রায়হানের কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আব্দুল কুদ্দুস সরকারসহ অন্যান্যরা। এরআগে আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী তাদের কর্মী সমর্থকদের নিয়ে শোডাউনের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আসেন। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিনের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের শোডাউন ছিল চোখে পড়ার মতো। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী জাপা নেতা সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিকেরও শোডাউন ছিল বেশ দীর্ঘ। মনোনয়নপত্র জমা শেষে প্রার্থীরা তাদের কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন গনসংযোগে।